Deprecated: Function get_magic_quotes_gpc() is deprecated in /customers/2/1/8/swadhindesh.com/httpd.www/bangla/wp-includes/load.php on line 651 Deprecated: Function get_magic_quotes_gpc() is deprecated in /customers/2/1/8/swadhindesh.com/httpd.www/bangla/wp-includes/formatting.php on line 4381 Deprecated: Function get_magic_quotes_gpc() is deprecated in /customers/2/1/8/swadhindesh.com/httpd.www/bangla/wp-includes/formatting.php on line 4381 Deprecated: Function get_magic_quotes_gpc() is deprecated in /customers/2/1/8/swadhindesh.com/httpd.www/bangla/wp-includes/formatting.php on line 4381 ইনুর সহী ফতোয়া : হাসিনার সাথে বেগম জিয়ার তুলনা  হয়না | Swadhindesh.com-স্বাধীনদেশ

Thursday , 6 August 2020

Latest News
Home » নির্বাচিত কলাম » ইনুর সহী ফতোয়া : হাসিনার সাথে বেগম জিয়ার তুলনা  হয়না

ইনুর সহী ফতোয়া : হাসিনার সাথে বেগম জিয়ার তুলনা  হয়না

December 16, 2017 12:13 am Category: নির্বাচিত কলাম Comments Off on ইনুর সহী ফতোয়া : হাসিনার সাথে বেগম জিয়ার তুলনা  হয়না A+ / A-

মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন

সাবেক তথ্যমন্ত্রী নাজমুল হুদার কথা অনেকেরই মনে থাকার কথা। বেফাঁস ও বাজে কথা বলার জন্য এক সময় তাকে বেহুদা বলা হতো।  অনেকই মনে করেন চেষ্টা-তদবির এবং অনুনয়-বিনয়ের পর তথ্যমন্ত্রী হয়ে হাসানুল হক ইনু অযথা বাক-পটুতায় এবং বাজে শব্দ প্রয়োগে নাজমুল হুদাকেও ছাড়িয়ে গেছেন। শেখ হাসিনাকে খুশি করে তার নেক-নজরে থাকতে চাটুকারিতার পাশাপাশি ইনু প্রায়ই অবান্তরভাবে বেগম খালেদার বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক কটূবাক্য  ব্যবহার করেন। এ ধরনের অর্বাচীনমূলক বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য শেখ হাসিনাকে খুশি করা। কিন্তু ১৬ নভেম্বর ঢাকা’র সংবাদ সংস্থা ‘ইউএনবি’ কার্যালয়ে একটি অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে ইনু হঠাৎ বেগম খালেদা জিয়াকে হেয় করতে দিয়ে তিনি যে বাক্য ব্যবহার করেছেন, তাকে আমি খালেদার সপক্ষে অতি বাস্তব ও ঐতিহাসিক মন্তব্য বলে মনে করি। ইনু বলেছেন, শেখ হাসিনা আর খালেদা জিয়াকে এক পাল্লায় মাপবেন না ।

এমন সহী কথা ইনুর মুখ দিয়ে বের হবে  – তা ভাবাই যায় না। এ ধরনের সহী মন্তব্যের জন্য ইনুকে ধন্যবাদ দিতেই হয়। শেখ হাসিনার মতো খালেদা জিয়া সুবিধা মতো কথা পাল্টান না। প্রথম দফা প্রধানমন্ত্রী হবার পর শেখ হাসিনা বলেছিলেন তার বয়স ৫৬ বছর হলে তিনি রাজনীতি হতে অবসর নিবেন। এখন তার বয়স ৭০ বছর ছাড়িয়ে গেছে।  অবসর নেয়ার খবর নেই। মনে হচ্ছে আমৃত্যু রাজনীতি করবেন। অর্থাৎ নিজেই নিজের ঘোষণাকে মিথ্যে প্রমাণ করেছেন। এমন রেকর্ড বেগম জিয়ার নেই।

১৯৯২ সালে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠিত হবার পর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিচারপতি বজলুল হায়দার চৌধুরীকে সমর্থন করার জন্য শেখ হাসিনা জামায়াতের তৎকালীন আমীর অধ্যাপক গোলাম আজমের শরণাপন্ন হন। গোলাম আজমের দোয়া কামনা করেন। বেগম জিয়া কখনোই তেমন ভূমিকায় অবতীর্ণ হন নি। শেখ হাসিনা গোলাম আজমের তত্ত্বাবধায়ক থিওরী গ্রহণ করে জামায়াতকে সাথে নিয়ে তত্তাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে হরতাল অবরোধসহ আইনবিরোধী পন্থায় সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে দিয়ে জনতার মঞ্চের নামে দেশ অচল করে দেয়ার উদ্যোগ নেন। হরতালের নামে সড়কদ্বীপের গাছও শেখ হাসিনার লড়াকু সৈনিকদের হাত থেকে রক্ষা পায় নি।  হরতালের সময় পায়ে হেটে সচিবালয়গামী কর্মকর্তাকে সম্পূর্ণরূপে উলঙ্গ করে সড়কে বসিয়ে রাখার দৃশ্য মানুষকে হতবাকই নয় মর্মাহত হবার দৃশ্যও দেশ হাসিনা দেশবাসীকে উপহার দিয়েছেন। সব গাছ শেখ হাসিনার  শেখ হাসিনার দাবি অনুযায়ী নির্বাচনে  তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবি বেগম জিয়া মেনে নিয়ে শাসনতন্ত্রের অনুর্ভূক্ত করা হলেও ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে শেখ হাসিনা বিচারপতিকে ব্যবহার করে তত্তাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অবৈধ ঘোষণা করালেন।  বেগম জিয়া কখনোই এ ধরনের দ্বিচারিতা কিংবা ডিগবাজিমূলক ভূমিকায় অবতীর্ণ হননি।

মুন সিনেমা হলের মালিকানা নিয়ে দায়ের করা মামলার রায়ে দিয়ে গিয়ে শেখ হাসিনার নির্দেশে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক পন্থায় সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিল ৭৫-পরবর্তী সব শাসক ও আইনকে অবৈধ ঘোষণা করলে শেখ হাসিনা তৎকালীন প্রধান বিচারপতিকে অভিনন্দন জানান। রায়টি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করলে তাকে যারপরনাই অপমান করা হয়। তিনি অসুস্থ না হলেও জোরপূর্বক ছুটির নামে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়। তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ আনা হয়।

প্রথম দফা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দায়িত্বহীন ও বেফাঁস বক্তব্যের জন্য সর্বোচ্চ আদালত থেকে শেখ হাসিনাকে রং-হেডেড লেডি হিসেবে অভিহিত করা হয়। শেখ হাসিনা সরকারের পছন্দমতো রায় প্রদান না করায় হাইকোর্ট অঙ্গনে বস্তীবাসীদেরকে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। হাইকোর্টের সামনে লাঠিমিছিল করা হয় এবং তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, লাঠি কোথায় মারতে হয় আওয়ামী লীগ তা জানে।

দ্বিতীয় দফা ক্ষমতা দখলের পর শেখ হাসিনা বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ দলীয় প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করেন । নিজের এবং দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রুজুকৃত খুনের মামলাসহ সাড়ে আট হাজারের মতো মামলা প্রত্যাহার করে নিজেদেরকে ধোয়া তুলসী পাতা হিসেবে জাহির করার উদ্ভট পন্থা গ্রহণ করলেন। আর বেগম খালেদা জিয়াসহ বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। এসবই শেখ হাসিনার সুবিধাবাদী অপকর্ম ঢাকার কারসারি।

শেখ হাসিনার মতো বেগম জিয়া বিচার বিভাগসহ প্রশাসনের সর্বত্র দলীয় ক্যাডারদেরকে নিয়োগ দেন নি। দলীয় ক্যাডারকে বিচারাধীন খুনের মামলার এক নম্বর আসামীকে হাইকোর্টের  বিচারপতির পদে বসান নি। ফাঁসির দন্ডাদেশপ্রাপ্ত ২০ আসামীকে দলীয় বিবেচনায় ক্ষমার মাধ্যমে দন্ডাদেশে পুরোপুরি মওকুফ করেন নি।

অন্যায্য দাবি আদায়ের নামে হারতাল, রাস্তাঘাট অবরোধ, যানবাহন ধ্বংস, শিল্পকারখানায় অগ্নিসংযোগসহ সারা দেশকে অচল করে  শেখ হাসিনা দলীয় ক্যাডারদেরকে লগি-বৈঠাসহ ঢাকায় আগমনের নির্দেশ দেন। এককালের পেয়ারে দোস্ত জামায়াতে ইসলামীর একেবারে নির্দোষ অনুসারীকে নির্দয়ভাবে লগিÑবৈঠা দিয়ে প্রকাশ্যে পিটিয়ে করা হয়। খালেদা জিয়ার এমন কালিমালিপ্ত নির্মমতার রেকর্ড নেই।

বেগম জিয়া প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে কখনোই বহুরূপী সাজেন নি। খালেদা জিয়া শেখ হাসিনার মতো কখনো কোন অনুষ্ঠানে গান গান নি; কখনো কাঁদেন নি কিংবা কখনো অট্টহাসিতে ফেটে পড়েন নি । বেগম জিয়া কখনো তেঁতুল হুজুরদের অজানা সংখ্যক ঘুমন্ত অনুসারীকে সড়ক বাতি নিবিয়ে হত্যা করেন নি, আবার তেঁতুল হুজুরের কাছে গিয়ে আত্মসমর্পনও করেন নি। হাইকোর্টের সামনে মূর্তি বসিয়ে আবার মূর্তি-বিরোধী বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিস্মিতও করেন নি। হিন্দু-দেবী গজে চড়ে এসেছে  (?) বলে দেশে বেশি ধান জন্মেছে এমন অর্বাচীন মন্তব্য ও খালেদা জিয়ার মুখে শোনা যায় নি।

শেখ হাসিনা হরতাল-অবরোধ করে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে হরতালের ক্ষতিকারক দিকগুলো তুলে ধরে বিএনপি’র ডাকা হরতালের নিন্দা করেন এবং বলেন আওয়ামী লীগ আর কখনোই হরতাল করবে না, এমনকি বিরোধী দলে গেলেও নয়। অথচ জাতিকে হতবাক করে ২০০১ সালে নির্বাচনে পরাজিত হয়ে শেখ হাসিনা ১৭৩ দিন হরতাল করে নিজে পুনরায় অসত্যবাদী হিসেবে প্রমাণ করলেন । অর্থাৎ শেখ হাসিনা তার সুবিধামাফিক তার সুর পাল্টান।

হরতাল-অবরোধের নামে ঢাকাসহ সারা দেশকে অচল করে দেয়া হলেও খালেদা জিয়া কখনোই শেখ হাসিনার বাসা কিংবা অফিসের সামনে বালির ট্রাক ইটের ট্রাক দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে নি। পুলিশ বেস্টনী দিয়ে শেখ হাসিনাকে অঘোষিত গৃহবন্দি করেন নি। শেখ হাসিনাকে তার বাসগৃহ হতে একেবারে বেআইনীভাবে উচ্ছেদও করে নি।

ডিগবাজিতে শেখ হাসিনা অবশ্যই সর্বশ্রেষ্ঠ। স্বৈরাচারী এরশাদের অধীনে যে নির্বাচন করবে সে জাতীয় বেঈমান হবে এমন ঘোষণা দিয়ে শেখ হাসিনা নিজেই এরশাদের অধীনে নির্বাচন অংশ নেন। আর বেগম জিয়া সে নির্বাচন বর্জন করেন। জাতীয় বেঈমানে কে, শেখ হাসিনা তা নিজেই প্রমাণ করেছেন । আবার ২০১৪ সালের ভুয়া নির্বাচনে সেই স্বৈরাচারী এরশাদকেই ঘুষ দিয়ে প্রহসনের নির্বাচনে  নামিয়েছেন।

খালেদা জিয়া গণতন্ত্রকে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেন নি। সরকারের সমালোচক সংবাদপত্র কিংবা টিভি চ্যানেল বন্ধ করে দেন নি।  সাংবাদিকদেরকে গণহারে নির্যাতন ও কারারুদ্ধ করেন নি। বাইরে কিংবা নিজগৃহে সাংবাদিক দম্পতিকে হত্যা করা হয় নি।  বিনাভোটে ৩০০জন এমপির মধ্যে বিনাভোটে ১৫৪জনকে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত করে ভোট ছাড়াই সরকার গঠনের অগ্রিম ব্যবস্থা করেন নি। বাকি ১৪৪ আসনে কোনটিতেই ২০ শতাংশ ভোটার ভোট দেন নি। কোন কোন ভোটকেন্দ্রে একজন ভোটারও  যান নি। খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের নামে একব্যক্তির স্বৈরশাসন দেশে চালু করেন নি। শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের নামে দেশে অঘোষিত একদলীয় একব্যক্তির শাসন চাপিয়ে দিয়েছেন।

খালেদা জিয়া কখনো দেশ থেকে পালিয়ে যান নি । ভারতে কিংবা অন্যদেশে তথাকথিত স্বেচ্চানির্বাসনের নামে বিদেশীদের অর্থে পোষিত হন নি। মঈন ফখরুদ্দিনের উত্থানের সড়ক তৈরি করেন নি। ঢাকা শহরে লগি-বৈঠা আনেন নি। ফখরুদ্দিনের শপথানুষ্ঠানে খালেদা জিয়া অংশ গ্রহণ করেন নি। গণভবনে হাসিনার মতো হাসির রোল তোলেন নি। খালেদা জিয়া কখনো বলেন নি এ সরকার আমাদের আন্দোলনের ফসল, এ সরকারকে সফল করা আমাদের দায়িত্ব, এ সরকারের প্রতিটি কাজ ও কর্মসুচিকে আমরা সমর্থন  করবো কিংবা মেনে নেব। এসবই শেখ হাসিনার উক্তি।

বেগম জিয়া কখনোই জনসভায় বা ঘরোয়া আলোচনায় সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে শেখ হাসিনা কিংবা অন্যকোন নেতার বিরুদ্ধে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যমূলক অপমানজনক কথা  বলেন না, যেমনটি শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অহরহ বলে থাকেন।

অন্যদিকে ভারত কখনোই বলে নি যে, ভারত খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের ক্ষমতা দেখতে চায় কিংবা এমনও বলে নি যে, ভারত যেসব সুযোগ-সুবিধা বাংলাদেশ থেকে লুটে নিয়েছে সেগুলো ধরে রাখতে হলে খালেদা জিয়াকে আরো একবার ক্ষমতায় আনতে হবে। শেখ হাসিনার মতো খালেদা জিয়া কখনোই বিদেশে গিয়ে আশ্রয় নেন নি। কখনোই বিদেশীদের সহযোগিতায় ক্ষমতায় আসেন নি। শেখ হাসিনার ক্ষমতায় রাখার জন্য ভারতই প্রকাশ্যে একহাজার কোটি টাকা বাজেট করেছে, আর গোপনে কতো টাকা ব্যয় করেছে, সে খবর কেউ জানে না। ভারত প্রকাশ্যে বলেছে ভারত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ক্ষমতায় দেখতে চায়। এতে বুঝা যায় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনগণের ইচ্ছায় নয়, বরং ভারতের সহযোগিতায় ভারতের স্বার্থে ক্ষমতায় আসেন, ক্ষমতায় থাকেন।  এর মানে হলো শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার বিনিময়ে বাংলাদেশে ভারতের স্বার্থ রক্ষা করেন, বাংলাদেশের নয়। আর খালেদা জিয়া বলেন: বিদেশে আমাদের বন্ধু আছে, প্রভু নেই।

প্রভু ভারতের নির্দেশেই শেখ হাসিনা সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করার আবরণে নদী-এলাকায় অবস্থিত আমাদের দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ তালপট্টি দ্বীপ ভারতের কাছে হস্তান্তর করেছেন। আন্তর্জাতিক নদীর পানি ট্রানজিট একচেটিয়া ব্যবসা এবং প্রকাশ্য ও গোপন চুক্তির বাংলাদেশকে ভারতের আশ্রিত রাজ্যে পরিণত করেছেন। এসব ক্ষেত্রে বেগম জিয়ার কোন ভূমিকা নেই। এগুলো তথাকথিত স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি শেখ হাসিনার দেশবিরোধী  কাজের অংশ বিশেষ । বাংলাদেশকে সবদিক থেকে শেষ করতে হলে শেখ হাসিনাকে বারবার ক্ষমতায় রাখতে তাই ভারত মরিয়া।

দেশজুড়ে বিভিন্ন অজুহাতে খুন-অপহরণ, গুম, বিডিআর বিদ্রোহের নামে নির্বিচারে সেনা কর্মকর্তা হত্যা, ব্যাংক, শেয়ার বাজার, রিজার্ভ চুরিতে বেগম জিয়ার কোন ভূমিকা নেই। তার সময় দেশের অর্থ এভাবে বিদেশে পাচার হয় নি। দেশের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত চোর আর ঘুষখোরে ভরে যায় নি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আগুন জ্বলে নি। দেশের মানুষ এমন নিরাপত্তাহীনতায় অসহায়ত্বের মধ্যে দিনাতিপাত করেন নি। বাংলাদেশ এমন নেতৃত্বহীনতায় ভোগে নি। দেশের সবকিছু দেশের বাহির থেকে নির্ধারিত হয় দেশবাসী এখন আর দেশের মালিক নন। দেশের এমন দুর্দশার জন্য বেগম জিয়ার সামান্যতম ভূমিকা নেই।

বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় ইনু তার অজান্তেই বেগম জিয়া যে শেখ হাসিনার সাথে কোনভাবেই তুলনীয় নন তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সাথে বেগম জিয়াকে তুলনা করা যাবে না। আমরাও এ ক্ষেত্রে ইনুর সাথে একমত।*

লেখক: সাংবাদিক ও গবেষক, নিউইয়র্ক
Email: noa@agni.com

ইনুর সহী ফতোয়া : হাসিনার সাথে বেগম জিয়ার তুলনা  হয়না Reviewed by on . মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন সাবেক তথ্যমন্ত্রী নাজমুল হুদার কথা অনেকেরই মনে থাকার কথা। বেফাঁস ও বাজে কথা বলার জন্য এক সময় তাকে বেহুদা বলা হতো।  অনেকই মনে করেন চেষ্টা-ত মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন সাবেক তথ্যমন্ত্রী নাজমুল হুদার কথা অনেকেরই মনে থাকার কথা। বেফাঁস ও বাজে কথা বলার জন্য এক সময় তাকে বেহুদা বলা হতো।  অনেকই মনে করেন চেষ্টা-ত Rating: 0
scroll to top